মৃত্যু-শব্দ
কুজ্ঝটিকার আড়ালে মিশে যায় শরীর,
মন তখন সহ্যের আড়ালে…
বুক চিরে হাওয়া ওড়াই আকাশে,
যন্ত্রণার ব্যাখ্যা?
নিস্তব্ধতা…
শূন্যতা…
যন্ত্রণার ব্যাখ্যা…অলীক।
বায়ু গর্জায় বীভৎস শব্দে…
যে শব্দ ভাষাহীন
যার কোনো নাম নেই।
যে কেবল একলা ডাকতে পারে
সে শব্দহীন—নীরবতা।
ছেঁড়াঘুড়ি
ঢেউয়ের দাপটে মুছে যাওয়া কিছু নাম,
অথবা ভুলতে চাওয়া স্মৃতির পাহাড়
আচড়ে পরে পাথর বাধানো পাড়ে।
নীলচে আকাশে আজও ওড়ে
তোর সেই ছেঁড়া ঘুড়ির টান—
ওড়ে—
আবার উড়তে-উড়তে
ফিরেও আসে, অবাধ্য ছেলের মতো।
কতবার তোকে ফিরিয়েছি
তবু সেই জেদি হাওয়া
আজও আমাকে ছুঁয়ে যায়,
মুছে যায় স্পর্শ, চেনা স্বর, চেনা গন্ধ।
প্রঞ্চেন্দ্রীয়ের সন্ধানে তখন শুধুই তুই….
প্রান্তিক
১.
মৃত্যু সংলাপের শেষ প্রান্তে,
অজানা কোনো অভিমন্যুর স্পর্শ
সম্মুখ অনুকূল
তারপর
প্রতিকূল
আবার অনুকূল
আবার প্রতিকূল
ঠিক বেঠিকের মিথ্যে বিচারে…
জীবন আজও মৃত্যু খোঁজে।
২.
মৃত্যুর পরের পরে….
সত্যি
শুধুই সত্যি নয়তো—
সত্যির মিথ্যেরা দল বেঁধে আসে
দেখা দেয় নাড়ির টান, চৌকাঠ…
চিলে কোঠা …
উঠান…
৩.
জীবনের মাঝে আরেক জীবন
বাঁচা-মরা, মরা-বাঁচা
বৃথা চেষ্টায়—পরাধীনতা স্বীকার।
সত্য মিথ্যা সবই এক
মৃত্যুর ওপারে শুধুই যেন
চক্রব্যূহের টান।

