স্মৃতি
আমার আছে ইচ্ছে ডানা, সেই ডানাতেই উড়ে
ঘুরে বেড়ায় আকাশহৃদয়, মেঘের গহন লোক
আমার আছে ইচ্ছেআকাশ, সেই আকাশে দেখি
আমার মতোই ভালোবাসে, তোমার দুটি চোখ!
দূরে গিয়ে আর কী দেবে, দূরত্বটাই বাড়ে
চোখের দেখা হয় না দেখা, মনটা কেবল পোড়ে
চোখের জলে আকাশছোঁয়ার স্বপ্ন ধূলায় মেশে
যার ব্যথা তার, মনের কোনে ব্যথার পাখি ওড়ে!
যার ব্যথা তার রইল পড়ে জীবন হাহাকার
মনের কোণে ভেসে ওঠে রঙিন সে সব দিন
স্মৃতিরা সব কেঁদে-কেঁদে বাড়ায় দুঃখের নদী
আলতো ছোঁয়ার আশায় বাজে মনেতে রিনঝিন।
প্রণয়ের বাঁশি
বসন্তের দিন এলে যদি বেড়ে যায় চঞ্চলতা
ভেঙে যাবে আবেগের সব বাঁধ—
হয়তো মনের জোয়ারে দেহের ঢেউ ভাঙবে তখন?
ঘুমন্ত বাসনা যত, আর যত অতৃপ্ত কামনা
অশ্লীল নিঃশ্বাস হয়ে ভেসে যেবে মেঘনার জলে
ভেসে যাবে চোরাস্রোতে সব লাজ।
আমার সমস্ত লাজ বসনের মতো খুলে খুলে
ভেসে যাবে কারও হাতের ছাঁয়ায়।
ওই পড়ন্ত বিকেলে বনফুল যদি হেসে ওঠে
আমাদের প্রণয়ের বাঁশি বেজে উঠবে তখন।
গহন দিঘি
এখনো শেষ হয়নি রাত—হৃদয়ের ক্যানভাসে এসো।
মাঝপথে থেমে যাও কেন নাদান পুরুষ।
সব বাঁধ ভেঙে দাও, আজ মেতে উঠুক পৌরুষ।
জাগুক গহন তৃষ্ণা। ভোরের কুয়াশা ডাকে, সুদূরের মতো
এসো ঘন হয়ে এই নিবিড় রাত্তির বেলা, আবেগে কাতর
তোমার ছোঁয়ায় কেঁপে উঠুক আমার দেহ,
এমন খোঁপার এলোচুল
এসো, ডুবে যাক চাঁদ। তুমি বসো হৃদয়ের গহন দিঘিতে।

