চিন্তাসূত্র ডেস্ক
নির্মাতা আদিত্য জনি নির্মাণ করলেন কবি ও নাট্যকার মিজানুর রহমান বেলাল রচিত টেলিছবি, ‘নগরবালা’।
এই প্রসঙ্গে আদিত্য জনি বলেন, অসাধারণ এক গল্পে কাজ করতে পেরে আনন্দিত। বিশেষ করে নগরের মানুষ মেসেজ পাবে ‘নগরবালা’ টেলিছবিতে। সচেনমূলক গল্পে মানুষের কল্যাণে কাজটি করতে পেরে ভীষণ উৎফুল্ল। গল্পে দেখা যাবে—বালার সঙ্গে কথা কাটাকাটি হচ্ছে একজন যুবকের। একপর্যায়ে বালা যুবকের কলার ধরে জোর করে রাস্তায় ফেলে দেওয়া চিপসের প্যাকেট তুলে ডাস্টবিনে ফেলতে বাধ্য করলো। এরপর অফিসে গিয়ে দেখতে পায় ২ ঘণ্টা দেরি। অফিসের বস খাইরুল ইসলামের বকাবকি শুনে কাজ শুরু করলো। এভাবেই প্রতিদিনই চলার পথে; ফুটপাথে, বাজারে, পাড়া-মহল্লায় নানান জনের সঙ্গে নানান বিষয়ে দ্বন্দ্ব হয় নগরের পরিচ্ছন্নতা নিয়ে। বালার কথা হলো, আমরা যদি নগরকে পরিচ্ছন্ন না রাখি নগর ভালো থাকবে না। এলাকায় বালার নগরের পরিচ্ছন্নতা নিয়ে একক শ্রমের জন্য, অনেক প্রসংশা শুনে লোকের মুখে।
বালা খুব প্রতিবাদী সুন্দর মনের মানুষ হিসেবে জনপ্রিয় হয়ে ওঠে ধীরে ধীরে। বালা ঢাকা শহরের রাস্তায়, ফুটপাথে ময়লা ফেলার বিরুদ্ধে কাজ করে। এমনকী রাস্তায় পার্কিং, রাস্তায় খেলাধুলা থেকে শুরু করে নানান কিছু নিয়ে সচেতন গড়তে প্রচারণা করেই যায় একক শ্রমে। প্রচারণা করতে গিয়ে আবির নামক এক ছেলের সঙ্গে দ্বন্দ্ব হয়। আবির ক্ষমতার প্রভাব ও বাবার ধন-সম্পত্তির অহঙ্কারে বালার ক্ষতি করার ছক আঁকে গোপনে। কিন্তু আবির নিজের বিবেকের কাছে অনুতপ্ত হয় এক সময়। সে নিজেই বালার কাছে ভালো হওয়ার জন্য; তার মন পাওয়ার জন্য অনেক ভালো কাজ করতে থাকে। এমনকী আবির তার দুই সহযোগীকে সঙ্গে নিয়ে বালার মতো নগরের পরিচ্ছন্নতা নিয়ে সচেতনতামূলক কাজ করতে থাকে। আবিরের উদ্দেশ্য বালার মন পাওয়া। অনেক ঘাত-প্রতিঘাত নেমে আসে আবির ও বালার মধ্যে। আবির ও বালার করুণ পরিণতি ও প্রেম ভালোবাসার জয়ী হওয়ার গল্পটি দেখে মুগ্ধ হবে দর্শক, এমনটিই প্রত্যাশা করেছেন আদিত্য জনি।
বালা চরিত্রে অভিনেত্রী সানজিদা ইসলাম ও আবির চরিত্রে দেখা যাবে অভিনেতা ও চলচ্চিত্র নায়ক শিপন মিত্রকে। অন্যান্য চরিত্রে দেখা সাবে আজম খান, সারা, ইমরান হাসো, আরশি খানসহ এক ডজন পরিচিত মুখকে।
নগরবালা টেলিছবিটি আগামী ২৯ শে জানুয়ারি, শুক্রবার বেলা ৩টায় চ্যানেল আইয়ে প্রচারিত হবে।
