উড্ডয়ন পর্ব
৯. এক সে মেরাজের রাত্রে ঘুমিয়েছি
হঠাৎ দেবদূত বলল, ‘ঘুরে আসি’
বুঝেছি দফা শেষ, বউকে বলে যাই
জানাল ইশারায়, ‘সময় অত নাই’
নেহাত হতাশায় উড়েছি বোররাকে
দেখেছি আসমান সাতটি পাকে পাকে
ভ্রমণ শেষে ভোরে আসব ফিরে বুঝি?
১০.
নানান আসমানে চলছে খেলা কত
রয়েছে দেবদূত দোসর শয়তানও
এদিকে নরমাল ওদিকে কোভিডেরা
এদিকে চোরদল ওদিকে মহতেরা
এমনি কত শত আত্মা বোঁচকায়
ভেতরে কেউ হাসে কেউবা কেঁদে যায়
হাসর কবে হবে দিনকে রাতে গোনো
১১.
অই যে বান্ডিলে আত্মা বেশ মোটা
বেরোতে চায় সে তো বলবে দুটো কথা
ডাকছে চুপিচুপি তরুণ দেবদূতে
ঘুসটা কে না খায়, হেথাও চায় দিতে
খাটছে দেবদূত কত না যুগ ধরে
সে চায় বিশ্রাম পাত্রে সুরা ভরে
আত্মা তস্কর বোতল খোলে দু’টা
১২.
যাবার কালে পথে দেখেছি কত গ্রহ
শনির গলা কাটা মোটেও দেখিনি তো
চাঁদের বুড়িমাকে বলেছি সুতো কেটে
আমাকে দুটো জামা বানিয়ে এনে দিতে
কেবল ভয় ছিল কখন ব্ল্যাকহোলে
বাবাজি বোররাক আমাকে নিয়ে ফেলে
এ মহাশূন্যতে কত যে বিগ্রহ
১৩.
একটা উল্কাকে দেখেছি পাশ কেটে
আগুন ছ্যাঁকা দিয়ে কোথায় গেলো ছুটে
আসলে উল্কা তো? নাকি সে নভোযান!
বুঝি না মিথ আর সত্য কোন্ জ্ঞান
পুষ্পকরথে কে? রাবণ নাকি ধায়!
গড়ুর পিঠে নাকি বিষ্ণু উড়ে যায়?
আকাশে বোঝা দায় কতো যে খেলা চলে!
১৪.
অই যে দেখা যায় পাহাড় উঁচু এক
একটু কাছে নাও, ও-ভাই বোররাক,
দেখেছি কী বিশাল ঠেলছে কে পাথর
মাংস ফুলে ওঠে, ঘামছে দরদর
একটু বাকি আছে তবেই চূড়াটায়
পাথর তোলা হলে থামতে পারা যায় ;
অমনি নিপতিত, হায় রে সিসিফাস।
কবি জিললুর রহমানের ‘এক সে মেরাজের রাত্রে ঘুমিয়েছি’ কাব্যগ্রন্থে অন্তর্ভুক্ত ‘উড্ডয়ন পর্ব’-এর কবিতাগুলি মিথের মহিমা মন্ডিত হয়ে, মানবিকীকরণে প্রভাবিত এক অন্তর্নিহিত তাৎপর্যপূর্ণ রূপক বহন করেছে, যা হয়ে উঠেছে প্রতীকের বহুরূপতা। এখানে উড্ডয়ন কেবল আকাশগত গতির প্রতীক নয়, কবির যে অনুভূতিতে সৃজিত তা হচ্ছে— আখ্যানটি মিথ থেকে ব্যঙ্গের দিকে, ধর্ম থেকে দৈনন্দিনতার দিকে এবং অলৌকিকতা থেকে অস্তিত্বের সংকটে অবতরণের দিকে, যা এক বহুস্তরীয় মানস উড্ডয়নে মুখরিত প্রতীকী অনন্যতা লাভ করেছে। এই কবিতাগুলো পাঠ করতে করতে অনুভব হয়— ‘উড্ডয়ন পর্ব’ হচ্ছে কবি জিললুর রহমানের অধিবিদ্যাগত চিন্তার মহাকাশ বিষয়ক সর্বশেষ ময়নাতদন্ত।
কবি জিললুর রহমান একদিকে মেরাজ আখ্যানের মতো একটি গভীর ধর্মীয় উত্তরাধিকারের বিষয়কে ধারণ করে এর ঐতিহ্যকে পুনরাবিষ্কারের চেষ্টা করেছেন, অন্যদিকে এই আখ্যানকে একেবারেই মানবিক, পরিচিত এবং প্রায় গৃহস্থালির কাব্যভাষায় রূপান্তর করেছেন। এই পর্বের সূচনাতেই দেখা যায়, মেরাজের মতো এক অলৌকিক ঘটনাকে কবি কোনো মহিমান্বিত বা অলঙ্কারবহুল ভাষায় উপস্থাপন করেননি। বরং তিনি আখ্যানকে এমন এক পরিসরে নিয়ে এসেছেন, যেখানে ঐশী আহ্বানের মুখোমুখি দাঁড়িয়েও মানুষের প্রথম উদ্বেগ হয়ে উঠেছে সংসার, সম্পর্ক এবং বিদায়ের ক্ষুদ্র অথচ গভীর মানবিক মুহূর্ত। ‘বউকে বলে যাই’— সংসারের এই সাঁকো সংযুক্ত করে মেরাজের ধর্মীয় গাম্ভীর্যকে স্থানান্তরিত করেছেন পার্থিব অস্তিত্বের দিকে। এরফলে আখ্যানটি আর কেবল নবুয়তি অলৌকিকতার বিবরণ থাকেনি, তা হয়ে উঠেছে একজন ভাবুককের এই শব্দসাঁকো দিয়ে অজানার দিকে যাত্রার কসমিক অভিজ্ঞতা। এখানে কবি পবিত্রতার অবমাননা করেনি, তিনি পবিত্রতার পদচ্ছাপে মানবিকতার অন্তর্লোক আবিষ্কার করেছেন।
নিচে সমগ্র ‘উড্ডয়ন পর্ব’-এর কবিতাগুলি একটি সুসংবদ্ধ সাহিত্যের রূপতাত্ত্বিক বিন্যাসের প্রচ্ছনতায় ও বিশ্লেষণের ডানায় তুলে ধরা হলো। সাহিত্যের রূপতাত্ত্বিক বিন্যাস বলতে বুঝায়— কোনো সাহিত্যকর্মের রূপ, আঙ্গিক ও কাঠামোর সুসংগঠিত বিন্যাস, যার মাধ্যমে সাহিত্যের ভাব ও বিষয় আরও বেশি প্রকাশিত হয়ছে জীবনের গভীরতায়।
১.
উড্ডয়ন পর্বের সূচনা দৃশ্যে একটি তাৎপর্যপূর্ণ সৌন্দর্য এবং কাব্যিক কৌশল সম্পূরিত হয়েছে এভাবে—
‘হঠাৎ দেবদূত বলল, ‘ঘুরে আসি’
বুঝেছি দফা শেষ, বউকে বলে যাই’
এখানে মেরাজের আদি বয়ান যে মহিমাময়, তা গম্ভীর এবং অতিমানবিক— এর সম্পূর্ণ বিপরীতে কবি এই ঘটনাকে উঁকিবাজ গৃহস্থ জীবনের সন্ধিতে অনুবাদ করেছেন। ‘বউকে বলে যাই’— সংসারের পেয়ালায় মেরাজ উপাখ্যানের অতিমানবিক বোধকে মানবজীবনের পার্থিব ও সংসারঘন বাস্তবতার মধ্যে পুনঃস্থাপন করেছেন। এই রূপান্তরটি নিছক বিদারিত হাস্যরস নয়, এমন উপস্থাপনা বিস্তীর্ণ পবিত্রতার এক মানবিকীকরণ। কবি জিললুর রহমান তাঁর অধিবিদ্যাগত বোধে উন্মোচন করেছেন— মহাকাশে উড্ডয়নকারী মানুষও শেষ পর্যন্ত সংসারবদ্ধ এক সাধারণ সত্তা। ফলে ধর্মীয় মহিমা এখানে লোকজ রসিকতার ভেতর দিয়ে অবলীলায় পুনর্গঠিত হয়েছে। সাহিত্যের এই প্রয়োগটিকে আধুনিক সাহিত্যসমালোচনার পরিভাষায় মিথউন্মোচনের এক সুস্পষ্ট দৃষ্টান্ত হিসেবে বিবেচনা করা যায়।
২.
পরবর্তী স্তরে কবি যে সাত আসমানের রূপকল্প সৃজন করেছেন, তা আর নিছক আধ্যাত্মিক প্রশান্তির ভুবন নয়। এই পরিসরটি এক বিস্ময়কর মহাজাগতিক প্রশাসনিক প্রশস্ততায় প্রতিফলিত হয়েছে। যেমন—
‘নানান আসমানে চলছে খেলা কত
রয়েছে দেবদূত দোসর শয়তানও
এদিকে নরমাল ওদিকে কোভিডেরা’
এখানে ‘কোভিড’ শব্দটির অন্তর্ভুক্তি এক নজরকাড়া তাৎপর্যপূর্ণ। কবি এই শব্দ দিয়ে মেরাজ আখ্যানের ভেতর সমকালীন সময়কে স্থাপন করেছেন। ফলে আসমান আর অতীতের মিথিক স্থান নয়, এখানে আসমান হয়ে উঠেছে সমকালীন মানবসমাজের এক প্রতিফলনভূমি। স্বর্গের ভেতরে দেবদূত, শয়তান, রোগ, চোর এবং মহৎ ব্যক্তি— সবাই সপ্রতিভ সহাবস্থান করছে। এই ভাবনায় রচনা করেছে শাশ্বতের পরিপ্রেক্ষিত। এই সহাবস্থান আসলে মানবসমাজের নৈতিক দ্বন্দ্বের এক কসমিক প্রতিরূপ। এই প্রেক্ষিতে স্বর্গ কবির কল্পনায় এক প্রতীকী নৈতিক সংরক্ষণ ব্যবস্থায় পরিণত হয়েছে। যেখানে মানবজাতির পাপ-পুণ্যের সমগ্র ইতিহাস সমান্তরালভাবে গূঢ়ার্থব্যঞ্জকে সঞ্চিত থাকে।
৩.
উড্ডয়ন পর্বের সবচেয়ে তীক্ষ্ণ ব্যঙ্গাত্মক অংশগুলির একটি হলো—
‘ঘুসটা কে না খায়, হেথাও চায় দিতে’
এই পঙ্ক্তিটি শুধু হাস্যরসাত্মক উদ্ভিন্নতা নয়, কবি এখানে তাঁর স্বপ্নবিশ্লেষণে ও রীতিবিশ্বাসের আলোকে এক গভীর সামাজিক ও রাজনৈতিক ইঙ্গিত দিয়েছেন। পৃথিবীর দুর্নীতি এতটাই বিস্তৃত যে, তা স্বর্গের মতো পবিত্র ক্ষেত্রেও প্রবেশ করেছে—এই ধারণাটি নৈতিকতার সর্বজনীন পতন নির্দেশ করেছে। আরও তাৎপর্যপূর্ণ হলো—
‘খাটছে দেবদূত কত না যুগ ধরে
সে চায় বিশ্রাম পাত্রে সুরা ভরে’
এখানে দেবদূত আর অতিমানবিক সত্তা নয়, সে এক ক্লান্ত শ্রমিক। তারও বিশ্রামের প্রয়োজন আছে , তারও ভোগের আকাঙ্ক্ষা আছে। ফলে দেবত্ব এখানে মানবি ক দুর্বলতায় প্রতিফলিত হয়েছে। এই অংশটি কবির প্রজ্ঞাচক্ষুতে হয়ে উঠেছে সূক্ষ্ম এক প্রতিষ্ঠানাত্মক ব্যঙ্গচিত্র, যেখানে বস্তর প্রতিভাসে
সংস্থাগত নৈতিকতার অবক্ষয় ও ধ্বংসপ্রবণতা স্পষ্টভাবে প্রতিফলিত হয়েছে।
৪.
‘কেবল ভয় ছিল কখন ব্ল্যাকহোলে
বাবাজি বোররাক আমাকে নিয়ে ফেলে’
এখানে ব্ল্যাকহোল শুধু জ্যোতির্বিজ্ঞানের ধারণা নয়, ব্ল্যাকহোল হচ্ছে এক গভীর অস্তিত্ববাদী প্রতীক। ব্ল্যাকহোল এখানে নির্দেশ করেছে অজানা শূন্যতা, বিলীন হওয়ার সম্ভাবনা এবং অস্তিত্বের ভঙ্গুরতা। মহাশূন্যের এই ভয় মানুষের অন্তর্গত ভয়ের প্রতিরূপ। এই মেরাজের আধ্যাত্মিক যাত্রা এখানে রূপান্তরিত হয়েছে অস্তিত্বের অজানার দিকে অন্তর্গত এক কাব্যিক অভিযাত্রায়।
৫.
১৩ নম্বর কবিতায় কবি একাধিক পুরাণ ও ধর্মীয় প্রতীককে আত্মস্থিত করেছেন একত্রে—
‘কে পুষ্পকরথে? রাবণ নাকি ধায়!
গড়ুর পিঠে নাকি বিষ্ণু উড়ে যায়?’
এখানে ইসলামি মেরাজের সঙ্গে হিন্দু পুরাণের পুষ্পক রথ ও বিষ্ণুর উপস্থিতি একই কাব্যিক পরিসরে যুক্ত হয়েছে মানবিক উদ্দেশ্যবাদে। এই পরিণত সংমিশ্রণ কেবল কাব্যিক অলংকার নয়, এসব বিভা হচ্ছে এক গভীর সাংস্কৃতিক গুরুত্বের আন্তরিক্ষবোধ। কবি যেন দেখাতে চেয়েছেন— মহাশূন্য কোনো একক ধর্মের সম্পত্তি নয়, এই মহাকাশ বহু কল্পনার সমবেত ক্ষেত্র। এই কৌশলটিকে সমকালীন সাহিত্য সমালোচনায় ‘Mythological Syncretism’ হিসেবে চিহ্নিত করা যায়, যা বহুমিথের সমন্বিত স্পন্দনে প্রাণময় হয়ে উঠেছে।
৬.
উড্ডয়ন পর্বের শেষ দৃশ্যটি এক গভীর দার্শনিকসমীপের ডানার নিমিষে বেশ উজ্জ্বল—
‘অমনি নিপতিত, হায় রে সিসিফাস।’
সিসিফাস গ্রিক পুরাণের সেই চরিত্র, যে অনন্তকাল ধরে পাথর ঠেলে পাহাড়ের চূড়ায় তোলে, কিন্তু প্রতিবারই তা নিচে গড়িয়ে পড়ে। এই প্রতীকটির অন্তর্ভুক্তি পুরো কাব্যাংশটিকে অস্তিত্ববাদী ব্যাখ্যার দিকে নিয়ে যায়। এখানে সিসিফাস— শ্রমের প্রতীক,
ব্যর্থতার পুনরাবৃত্তির প্রতীক এবং অর্থহীন জীবনের প্রতীক। এই মুহূর্তে কবিতাটি ধর্মীয় অলৌকিকতা থেকে সরে এসে অস্তিত্বের অযৌক্তিকতার দর্শনে প্রবেশ করেছে।
৭.
উড্ডয়ন পর্বের কাব্যভাষায় প্রতিফলিত হয়েছে একটি বিশেষ নিবন্ধের বৈশিষ্ট্য, আর তা হলো এর দ্বৈত প্রকৃতির ভাষা। একদিকে—
‘বউকে বলে যাই’
‘ঘুসটা কে না খায়’
অন্যদিকে—
‘ব্ল্যাকহোল’
‘সিসিফাস’
‘পুষ্পক’
এই ভাষাগত বৈচিত্র্য কাব্যটিকে একটি বহুস্বরিক ভাষিক পরিসর প্রদান করেছে। পাঠক একই সঙ্গে লোকজ রস ও দার্শনিক গভীরতা অনুভব করতে সক্ষম হয়েছে। এই ভাষা এক সংকর কাব্যভঙ্গি সৃষ্টি করেছে। যেখানে উচ্চ ভাষা ( আভিজাত্যপূর্ণ, আধ্যাত্মিক বা শৈল্পিক ভাষা) এবং নিম্ন ভাষা ( দৈনন্দিন, সরল বা সাংসারিক কথ্য ভাষা) বিভাজন ধীরে ধীরে বিলীন হয়ে, বা দূরত্বসীমানা কমিয়ে একীভূত শৈলীতে পরিণত হয়েছে।
৮.
উড্ডয়ন পর্বের সমগ্র কবিতাগুলি সঞ্চয় অনুভূতিতে বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, এই পর্বটি হচ্ছে মূলত এক কসমিক ব্যঙ্গনাট্য, যেখানে মহাশূন্য অনিবারণীয় মানবসমাজের এক প্রতীকী ক্ষেত্র হয়ে উঠেছে।এখানে—
স্বর্গ = প্রশাসনিক ক্ষেত্র
দেবদূত = ক্লান্ত কর্মচারী
আত্মা = দুর্নীতিগ্রস্ত নাগরিক
মহাশূন্য = অস্তিত্বের অজানা পরিসর
এই প্রতীকসমূহের মাধ্যমে কবি জিললুর রহমান মানবসভ্যতার নৈতিক ও অস্তিত্বগত সংকটকে এক নতুন কাব্যিক আঙ্গিকে প্রকাশ করেছেন।
‘উড্ডয়ন পর্ব’ পাঠ শেষে উপলব্ধি হয় যে, শেষ পর্যন্ত এই পর্বের কবিতাগুলি এক বিপরীতমুখী বাইনারি গতির কাব্য। যেখানে উড্ডয়ন যত উপরে ওঠে, উপলব্ধি তত গভীরে নামে। এই পর্বে কবি উড়ক্কুমনে এক আন্তরীক্ষবোধে দেখিয়েছেন—
ধর্মীয় মিথ ভঙ্গুর
নৈতিকতা অবক্ষয়মান
বিজ্ঞান অনিশ্চয়তায় পূর্ণ
মানবশ্রম অনন্ত ব্যর্থতায় আবদ্ধ
এই উড্ডয়ন কোনো মুক্তির প্রতিশ্রুতি বহন করে না, এই উড্ডয়ন অস্তিত্বের অনিবার্য পুনরাবৃত্তি এবং চিরস্থায়ী গতিচক্রের দিকে নিয়ে যায়। এই কারণেই উড্ডয়ন পর্বকে সমকালীন বাংলা কাব্যের পরিসরে একটি কসমিক-অ্যাবসার্ড মহাকাব্যিক ক্ষুদ্ররূপ হিসেবে বিবেচনা করা যায়। যেখানে হাস্যরস, ব্যঙ্গ, মিথ ও দর্শন একসঙ্গে মিলিত হয়ে নির্মাণ করেছে এক অনন্য কাব্যিক মহাশূন্য। ‘উড্ডয়ন পর্ব’ যেন ধস্ত কালখন্ডের এক কাব্যিক স্পন্দন।
শেষ
এক সে মেরাজের রাত্রে ঘুমিয়েছি: আদিপর্ব নিয়ে আলোচনা: ১ম পর্ব ॥ শোয়েব নাঈম

