সবুজ সোয়েটার ॥ ফরিদা ইয়াসমিন সুমি | চিন্তাসূত্র
৭ অগ্রহায়ণ, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ | ২১ নভেম্বর, ২০১৮ | দুপুর ২:৩৪

সবুজ সোয়েটার ॥ ফরিদা ইয়াসমিন সুমি

এক.
দেশটার যে কী হলো, বুঝতে পারছে না নার্গিস! আজ ১ মার্চ, সোমবার। বড়দার কাছে জেনেছে, ডিসেম্বরের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ জিতলেও পাকিস্তানের সরকার ক্ষমতা হস্তান্তরে টালবাহানা করছে। নানা চক্রান্তের মধ্য দিয়ে চলছে সময় পার করার চেষ্টা। রোজই নার্গিসদের বাসায় বড়দা আর তার বন্ধুদের বৈঠক বসে। সবার শক্ত চোখমুখ আর উত্তেজনা দেখে আঁচ করতে পারে, নিশ্চয় সাংঘাতিক কিছু ঘটতে যাচ্ছে। ওদের মিটিংয়ে চা-নাস্তা দিতে গিয়ে কিছু কিছু শুনেছে। ৩ মার্চ, বুধবার জাতীয় পরিষদের অধিবেশন।

ভাবতে গিয়ে অন্যমনস্ক হয়ে তাওয়ার রুটিটা পুড়ে যায়। ঘড়িতে সকাল সাতটা। ঘুম থেকে এখনো ওঠেনি কেউ। শুধু বড়দার রেডিওর নব ঘোরানোর শব্দ পাচ্ছে। সকালের নাস্তা রুটি আর আলুভাজি। আলুভাজি হয়ে গেছে। আর চারটা রুটি ভাজা বাকি। হিসাবের রুটি। একটা পুড়ে গেলেও সমস্যা। পোড়া রুটিটা নিজের জন্য আলাদা করে রাখলো নার্গিস। বাবার চাকরির সুবাদে রেশন পায় বলে রক্ষা। নইলে হয়তো একবেলা উপোসই করতে হতো। বাবা রেলওয়ের চাকুরে। বেতনের সামান্য টাকায় এতজন মানুষের দুই বেলা খাবার জোগান দিতে হিমশিম অবস্থা। শাহজাহানপুর রেলওয়ে কলোনির বি/৬/১/কে বিল্ডিঙের তিনতলার দুই কামরার ঘরে আটজনের সংসার। দিনের বেলার পরিপাটি ভাব দেখে বোঝার উপায় নেই, ঘুমানোর প্রয়োজনে রাতের বেলা ঘরের চেহারা কেমন পাল্টে যায়! তিন ভাই, তিন বোনের সবাই পিঠাপিঠি। বড়পার বিয়ে হয়েছে আজ পাঁচমাস। তারপর থেকেই খুব একলা লাগে নার্গিসের। বড়দা মাহবুব, বড়পা শেফালি আর নার্গিস তিনজন হরিহর আত্মা। একসঙ্গে আড্ডা না দিলে যেন পেটের ভাত হজম হতো না ওদের। বড়পার বিয়ের পর ঘরটা কেমন খালি খালি লাগে! বড়দা আর নার্গিসের আড্ডা আর আগের মতো জমে না! বড়দা বিএ পড়ছে, বড়পা ইন্টারমিডিয়েট পড়া অবস্থায় বিয়ে হয়ে গেলো, আর নার্গিস এবার ক্লাস টেনে।

দুই.
দরজায় কড়া নাড়ার আওয়াজ। নিশ্চয় দাদার বন্ধুরা এসেছে। দরজা খুলতেই হুড়মুড় করে ঢুকে পড়ল স্বপন ভাই, রফিক ভাই আর নাদিম ভাই। ওরাও এই কলোনিতেই থাকে। আজ আর নার্গিসের সঙ্গে কথা বললো না। সোজা সামনের রুমে ঢুকে পড়লো। মেঝের বিছানায় ছোট দুই ভাই এখনও ঘুমিয়ে। সেদিকে বিশেষ নজর দেয় না ওরা। চাপা উত্তেজনা সবার মধ্যে। চুলায় চায়ের পানি চাপায় নার্গিস।

কথা বলতে বলতেই চা শেষ করে বেরিয়ে যায় ওরা।
কোথায় যাচ্ছো, বড়দা?
বড়দা’র হয়ে নাদিম ভাই জানায়, ঢাকা ভার্সিটি যাচ্ছে সবাই।

তিন.
অফিস থেকে ফিরেই বাবার উদ্বিগ্ন কণ্ঠস্বর, মাহবুব ফিরেছে রে?
না, বাবা। দাদা বন্ধুদের সাথে সকালে বেরিয়েছে। এখনও ফেরেনি।
বাবা কানের কাছে রেডিওটা নিয়ে খবর শোনার চেষ্টা করতে লাগলেন। মাও চিন্তিত মুখে বাবার পাশে বসলেন।

খবর ভালো নয়, ইয়াহিয়া খান ৩ মার্চের অধিবেশন অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত ঘোষণা করেছে। এর প্রতিবাদে কাল, পরশু দু’দিন হরতাল ডেকেছেন শেখ মুজিবুর রহমান।
মাকে খুব অস্থির দেখায়। নার্গিস, দোলনকে বলতো, নাদিমের বাসায় একটু খবর নিতে, ওরা কিছু জানে কি না!
এত টেনশন করো না তো মা, দাদা ঠিক চলে আসবে।
এমন সময় হাঁপাতে হাঁপাতে নাদিমের ছোট ভাই বিপুল ঢুকলো।
নার্গিস আপা, ভাইয়ারা আজ কেউ ফিরবে না। সবাইকে সাবধানে থাকতে বলেছে। টেনশন করতে মানা করেছে।
ঘুমহীন কাটলো ওদের সারারাত।

চার.
বিকেল তিনটা নাগাদ খবর এলো, বেলা এগারোটায় ভার্সিটি ক্যাম্পাসে এক বিশাল জনসমুদ্রে শেখ মুজিবের সামনে ছাত্ররা বাংলার স্বাধীনতা ঘোষণা করে পতাকা উত্তোলন করেছে। হরতালের সময় ছাত্র ও সাধারণ মানুষের ওপর গুলি চালিয়েছে পুলিশ ও সেনাবাহিনী। রাত আটটা থেকে কারফিউ জারির খবরে মা খুব ভেঙে পড়লেন। জায়নামাজ বিছিয়ে নিঃশব্দে দোয়াদরুদ পড়তে লাগলেন। পিচ্চিগুলো সব নার্গিসকে ঘিরে ধরলো, আপা, দাদারা কি দেশ স্বাধীন করতে গেছে? ওরা কি পারবে?

মা জায়নামাজ থেকে মুখ না ঘুরিয়েই দৃঢ়তার সঙ্গে বললেন, নিশ্চয় পারবে। সত্যের বিজয় নিশ্চয় হবে। নার্গিসের চোখে বিস্ময়!

তিনদিন ধরে দাদাদের কোনো খবর পাওয়া গেলো না। বাবা ব্যস্ত রেডিওতে, মা জায়নামাজে। ছোটো ভাইবোনদের মাঝেও উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। তবে কী ঘটতে যাচ্ছে, কিছুই বুঝতে পারলো না কেউ।

পাঁচ.
তিনদিন পর দাদাসহ তার বন্ধুদের দেখা মিললো। উত্তেজিতভাবে বাবা এতদিনের সব খবরাখবর নিচ্ছিলেন। এ কয়দিন না কাঁদলেও দাদাকে জড়িয়ে ধরে আজ খুব কাঁদলেন মা। সবার চুল উসকুখুসকু, গালে খোঁচা খোঁচা দাড়ি।

এটা তো কাঁদার সময় নয় মা। আমাদের জন্য দোয়া করো। স্বাধীনতার ঘোষণা এসে গেছে! এখন আর পিছপা হওয়া চলবে না। মা ভেজা চোখে ওদের গায়ে, মাথায় হাত বুলিয়ে দিলেন।

ছয়.
খুব খিদে পেয়েছে, নার্গিস। কিছু খেতে দাও। নাদিম ভাইয়ের কথায় পরিবেশটা হালকা হলো। যতবারই নাদিম ভাইয়ের চোখাচোখি হয় এক অদ্ভুত ভালো লাগায় ভরে যায় নার্গিসের মন। ওকে অন্য দৃষ্টিতে দেখে, বুঝতে কষ্ট হয় না। দ্রুত রান্নাঘরে ঢুকে খাবারের আয়োজন করে নার্গিস। আলু সিদ্ধ করেছিল, ঝটপট ভর্তা বানালো। নাদিম ভাই ভর্তায় সরিষার তেল খুব পছন্দ করেন। কিন্তু বোতলের তলায় সামান্য একটু তেল। সেটুকুই কায়দা করে মাখিয়ে নিলো। পরবর্তী রেশন না পাওয়া পর্যন্ত তেল পাওয়ার আশা নেই। ভর্তা, ডাল, ভাত—এ দিয়েই তৃপ্তি করে খেলো সবাই। বোঝাই গেলো, এ কদিন পেটে তেমন কিছু পড়েনি।

সাত.
সাত তারিখ সকাল থেকেই বাবা বাইরে যাবার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। তবে রেডিওটা কাছছাড়া করছিলেন না।

তুমি আবার কই যাচ্ছো? মায়ের জিজ্ঞাসু দৃষ্টির সামনে বাবা এক টুকরো গর্বিত হাসি দিলেন, আরে আজ সোয়া দুইটায় রমনা রেসকোর্সে শেখ সাহেব সভা ডেকেছেন। বাঙলার স্বাধীনতা ঘোষণা দিবেন। আমার পাঞ্জাবি আর কালো কোটটা বের করে দাও তো! আমাদের দেশটা এবার স্বাধীন হয়েই যাবে, বুঝলে মাহবুবের মা!

মা’র অসহায়, ঘর্মাক্ত মুখটাও জ্বলজ্বল করে উঠলো।

আট.
সারাদেশের মানুষ মুক্তির স্বাদ পেতে উন্মুখ হয়ে উঠলো। রেসকোর্স ময়দানের সেই ভাষণ উন্মাদনা জাগালো। গণজোয়ারের স্রোতে উদ্বেল হলো স্বাধীনতার চেতনা। বাঙালি যেন নূতন করে সাহসী হয়ে উঠলো। ঘরে ঘরে কিশোর, তরুণ, যুবক, প্রৌঢ়, নারী, পুরুষ—নির্বিশেষে যুদ্ধে যেতে যেন প্রস্তুত! ময়দান থেকে ফিরে সবার সে কী উত্তেজনা, সে কী উচ্ছ্বাস!

নয়.
নার্গিস ওঠ।
কী হয়েছে বড়দা? বাবা, বড়দা দুজনকেই খুব উদ্বিগ্ন দেখাচ্ছে।
মায়ের ঘুম খুব পাতলা। নার্গিসের সঙ্গে সঙ্গে মা-ও ধড়ফড় করে উঠে পড়ে। কী হয়েছে মাহবুব?

শান্ত হও মা। এ রকম পরিস্থিতিতে মাথা ঠাণ্ডা রাখা জরুরি। মনে রেখো, শুধু ময়দানে গিয়ে অস্ত্র নিয়ে যুদ্ধ করাই নয়, বরং পেছন থেকে তোমাদের সাহায্য, তোমাদের প্রেরণাও দেশকে স্বাধীন করতে ভীষণ প্রয়োজন। হায়েনাদের কবল থেকে দেশকে বাঁচাতে প্রত্যেকের নিজ নিজ জায়গা থেকে দায়িত্ববান হতে হবে।

দেয়াল ঘড়িতে রাত দুইটার ঘণ্টা বাজলো।

বড়দা, নতুন কিছু হয়েছে?
নতুন আর কী হবে? পাকিস্তানি হানাদারেরা যে বর্বর, তা তো জানাই ছিল। তবে এতটা ভাবিনি। ওরা ঘুমন্ত, নিরীহ মানুষের ওপর নির্বিচারে গুলি চালাচ্ছে! বঙ্গবন্ধু স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছেন। তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। কারফিউ জারি হয়েছে। সমস্ত ঢাকা এখন উত্তাল। খুব শিগগির্ ছড়িয়ে পড়বে অন্যান্য অঞ্চলেও। অস্ফুট আর্তনাদে মা মুখে আঁচল চাপা দেন—বলিস কী! শেখ সাহেবকে গ্রেফতার করেছে! এখন কী হবে?

সাড়ে সাতকোটি বাঙালির যা হবে, আমাদেরও তাই হবে মা। স্বাধীনতা ঘোষণা মানেই স্বাধীনতা নয়, বরং স্বাধীনতা অর্জন করতে লড়াই শুরু হওয়া।

বঙ্গবন্ধুর সৈনিকেরা দেশের পক্ষে লড়বে। এই বিপদ মোকাবিলা করতে তোমাদের সাহায্য দরকার! পরিস্থিতি বুঝে দুই-চারদিনের মধ্যেই চট্টগ্রামে শেফালির ওখানে পাঠিয়ে দেব। আমাদের সহযোগিতা করতে তোমাদের নিরাপদ অবস্থানে থাকা জরুরি। হাতে সময় খুব কম। এক্ষুনি রফিক, নাদিম, স্বপন এসে পড়বে। তোমরা সতর্ক থেকো। নার্গিস, তুই সবার দিকে খেয়াল রাখিস।

মা বড়দা’র কপালে চুমু খেলো। নিজের গায়ের চাদরটা দাদার গায়ে জড়িয়ে দিল। রাতের আঁধারে বেরিয়ে গেলো দাদা। বাবা শুধু মুখ নিচু করে ঝাপসা হয়ে যাওয়া চশমার কাঁচটা মুছতে লাগলো। হঠাৎ গুলির শব্দে কেঁপে ওঠে ওরা। আর্তনাদে মা’কে জড়িয়ে ধরলো নার্গিস।

দশ.
শহরের মধ্যে থেকেও বিচ্ছিন্ন জীবনযাপন। জানালাও খোলা হয় না। সেদিন জানালার ফুটো দিয়ে মিলিটারিদের টহল দেখছিল নার্গিস। ভয়ে শিউরে উঠেছিল। অজানা আশঙ্কায় বুকটা দুরুদুরু করছিল। কেন যেন নাদিম ভাইয়ের মুখটা চোখে ভাসছিল তখন। যেখানেই থাকুক, নিরাপদে থাকুক সবাই।

এগারো.
রেশনের চালডালে আর চলে না। বাবা একদিন বেরিয়ে কিছু মুড়ি আর গুড় নিয়ে আসেন। খেয়ে না খেয়ে কাটতে থাকে আতঙ্কে কাটতে থাকে একেকটা দিন।

১০ এপ্রিল ‘মুজিবনগর’ সরকার গঠন করা হয়। যুদ্ধ শুধু ঢাকাতেই সীমাবদ্ধ নেই। ছড়িয়ে পড়েছে দেশজুড়ে। দাদা ও তার বন্ধুরা মুক্তিবাহিনীতে যোগ দিয়েছে। তাদের রক্তে টগবগ করে ফুটছে দেশকে স্বাধীন করার চেতনা।

বারো.
বহুদিন পর দরজায় কড়া নাড়ার শব্দ। সবার আতঙ্কিত দৃষ্টি দরজার দিকে। রাত নয়টা। কে আসতে পারে এসময়! এবার কড়া নাড়ার সঙ্গে সেঙ্গ ফিসফিস কথার আওয়াজ। দরজাটা খোলো। আমি নাদিম।

উফ হাঁফ ছেড়ে বাঁচলো সবাই। বাবাই খুললেন দরজা। কেমন আছো বাবা, মাহবুবসহ বাকিরা কেমন আছে?

আমরা ঠিক আছি চাচা। বেশ কিছু অপারেশনের পরিকল্পনা চলছে। আমি আপনাদের চট্টগ্রামের ট্রেনে তুলে দিতে এসেছি। সঙ্গে আমার মা আর বোনেরাও যাবে। স্টেশনে আমাদের লোক থাকবে। তারা আপনাদের শেফালির শ্বশুরবাড়ি নিয়ে যাবে। এইমুহূর্তে ঢাকা কিছুতেই নিরাপদ নয়। বিশেষ করে মেয়েদের জন্য। আপাতত ওখানে কিছুদিন থাকুন। পরে অন্য ব্যবস্থা হবে।

নিশ্চয় বাবা। তুমি চিন্তা করো না।
এই নার্গিস, শিগগির গোছগাছ করে নে। ১১টায় ট্রেন।
একটা বড় ব্যাগ আর দুটো কাপড়ের পুটুলিতে কোনো রকমে দরকারি জিনিস ভরে নিলো।

তেরো.
ঘর ছেড়ে বেরিয়ে এলো সবাই। দরজায় তালা দিতে গিয়ে বুকটা হুহু করে উঠলো নার্গিসের। কে জানে, এ বাসায় আর ফেরা হবে কি না! সবাই এগিয়ে গেলে নাদিম আর নার্গিস কিছুটা একা হলো। গায়ের শাল দিয়ে গা-মাথা ভালো করে ঢেকে নিয়ে বুকের কাছে লুকিয়ে রাখা হাফ-হাতা গাঢ় সবুজ সোয়েটারটা বের করে আনলো।

বাড়িয়ে দিলো নাদিমের দিকে, আপনার জন্য বুনেছিলাম। এটা সবসময় পরে থাকবেন। বুকে ঠাণ্ডা লাগতে দেবেন না। নার্গিসের মুখ থেকে চোখ না সরিয়েই সোয়েটারটা নিলো নাদিম।

আমি যে কিছুই দিতে পারলাম না তোমাকে। তবে কথা দিচ্ছি—স্বাধীন বাংলা দেব, তোমার বানানো সোয়েটারের মতো গাঢ় সবুজ সবুজ পতাকা দেব, মাঝে থাকবে টকটকে লাল সূর্য।

চোখ ছলছল করে উঠলো নার্গিসের—নিজের খেয়াল রাখবেন। শরীরের যত্ন নেবেন। সম্ভব হলে চিঠি দেবেন।
আচ্ছা, তোমার সব কথা শুনবো। তুমিও নিজের খেয়াল রেখো।
একটু দ্রুত হেঁটে ওরা বাকিদের সঙ্গে মিশে গেলো।
একটু একটু করে প্ল্যাটফর্ম ছেড়ে যেতে লাগলো ট্রেন। নার্গিসের হাতে বোনা সবুজ সোয়েটারটা পরে নিয়েছে নাদিম।
জানালায় নার্গিসের মুখ। বাতাসে ওর চুল উড়ছে।
নার্গিসের মুখটাকে দেশের মানচিত্র আর উড়ন্ত চুলগুলোকে লালসবুজ পতাকা মনে হলো নাদিমের!

মন্তব্য

চিন্তাসূত্রে প্রকাশিত কোনও লেখা পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।