আজকের কবিতা: স্বতন্ত্র স্বরের সন্ধানে-৩॥ মোজাম্মেল হক নিয়োগী | চিন্তাসূত্র
৩০ অগ্রহায়ণ, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ | ১৪ ডিসেম্বর, ২০১৮ | বিকাল ৪:৩৯

আজকের কবিতা: স্বতন্ত্র স্বরের সন্ধানে-৩॥ মোজাম্মেল হক নিয়োগী

॥পর্ব-তিন॥
জাকির জাফরানের কবিতা: অন্তর্দৃষ্টির প্রখরতা
কবিতার কথা ভাবলেই মনে আসে ছন্দবদ্ধ একটি অখণ্ড ভাবের সুসংবদ্ধ কাঠামো, যেখানে নদীর সাবলীল স্রোতের মতো পঠনে স্বতঃধারায় প্রবাহিত হবে ধ্বনির ধারা। শৈশবে মা-বাবার মুখ থেকে উচ্চারিত যেসব কবিতা শ্রুত হয়েছে, সেসব তো এমনই ছিল। সেসব কবিতা পাঠে এখনো মনে হয়, কবির বড় দায়বদ্ধতা রয়েছে শব্দচয়ন-ছন্দবিন্যাসে। ছন্দে কবির দায় থাকার পাশাপাশি তার শিল্পচেতনা, শিল্পমান, বাক্যে ব্যবহৃত শব্দের ইনটোনেশন ও ইনটুইট করার শিল্পজ্ঞান কবিতাকে দিতে পারে উচ্চমাত্রা। ছন্দের জন্য অন্ত্যমিলের জন্য অক্ষর বা বর্ণই প্রধান হয়, বরং ধ্বনির মিষ্টতাও অপরিহার্য। প্রত্যেক ভাষাতেই অনেক শব্দের প্রতিশব্দ রয়েছে এবং প্রতিশব্দ থেকে কবিতার ভাবের সঙ্গে সাজুয্য রেখে সঠিক বর্ণ বা অক্ষরটি স্থাপন করার দায় কবির। আর বড় কবিরা এই কাজটি সচেতনভাবে করেন বলেই কবির খ্যাতি অর্জন করতে পারেন। কবির ধ্যান-জ্ঞানে শব্দের ব্যবহার ছাড়া আর গুরুত্বপূর্ণ কী হতে পারে। কবি শব্দ দিয়েই তৈরি করেন কবিতার ইমেজ। গদ্যে সাদামাটা ভাবের প্রকাশ ও সরল ভাষার ব্যবহার পাঠককে আকৃষ্ট করলেও কবিতায় এ ধারণা অচল। কবিতায় ভাব প্রকাশে সরল ভাষা হলেও শিল্পের সূক্ষ্ণ আঁচড় না থাকলে সেটি কবিতা হয়ে ওঠে না। কবিতার বাক্যে বঙ্কিমতা, নদীর বাঁকের মতো স্রোতের গতি পরিবর্তন করলেই কবিতার রূপ পরিগ্রহ হয়, পাঠকের অন্তর্জগতে ভাবনার খোরাক মেলে এবং ইন্দ্রিয়ে সাড়া পড়ে। কবি জাকির জাফরানের কবিতার মধ্যে এমন রূপ-রস প্রকাশ লক্ষ করা যায়। নিচের কবিতাটির ময়নাতদন্ত করলে বাক্যের বাঁকে এমন অখণ্ড ভাবের বাতাবরণে সাময়িক বিচ্ছেদের কষ্ট অনুভব করা যায়।

আজ বাবা অঙ্ক শেখাচ্ছিলেন
বললেন, ধরো, ডালে-বসা দুটি পাখি থেকে
শিকারীর গুলিতে একটি পাখি মরে গেল,
তবে বেঁচে থাকলো কয়টি পাখি?

অঙ্কের বদলে এই মন চলে গেল
বেঁচে থাকা নিঃসঙ্গ সে-পাখিটির দিকে
আর মনে এলো তুমি আজ স্কুলেই আসোনি।
(চিঠি)

কবিতার প্রথম অংশে কবি পাঠককে শৈশবের গণিত শেখার মায়াজালে বন্দি করলেও শেষাংশে বা শেষ স্তবকের প্রিয়ার অভাবে একাকিত্বের তীব্র দহনের আভাস মেলে। জীবন গাণিতিক নয়? জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রেরই রয়েছে গাণিতিক হিসাব-নিকাশ। চন্দ্র-সূর্য-গ্রহ-নক্ষত্রের হিসাব-নিকাশেও কি গাণিতিক বিষয় নেই? ভাবের এমন প্রকাশই তো কবিতা। একটি জুটির নিরাবরণ প্রেম আর একত্রে থাকার মহিমান্বিত মায়াজাল ছিন্ন হয়ে গেল, চলে গেল একজন আর যেজন রয়ে গেলো তার কেমন মর্মকষ্ট হতে পারে, এই কবিতায় সেরকম একটি ইমেজ পরিস্ফুটিত হয়েছে। কবি এই ইমেজ সৃষ্টিতে শব্দতুলির একটি মাত্র আঁচড় দিলেও এর রেশ থেকে সারা দিনমানের বিরহকাতরতার ক্লেদাক্ত গোধূলির সঙ্গে মিশে একাকার হয়ে আছে। একাকিত্বের কষ্টকর জীবনের ছায়াপাত হয়েছে সন্ধ্যারাগে, হিমায়িত আবছা তমিস্রার তরঙ্গে। স্কুলে না আসা মানে স্বল্প বিচ্ছেদের কাতরতায় প্রেমকে আরও গভীর করে খোদাই করা হলো মানসপটে।

জাকির জাফরানের কবিতায় আরও একটি দিক উন্মোচন করা প্রয়োজন। কবির শৈশবের আবহমান বাংলার দাদাদাদির কাছ থেকে কিংবা শৈশব বন্ধুদের কাছ থেকে শোনা চিরাচরিত প্রবচনকে পুঁজি করে কবিতার ভিত রচনা করে তার সুপার স্ট্রাকচারে কবির ভাবনাকে স্থাপন করেছেন। গদ্য কিংবা পদ্যে ভাবের, অখণ্ডতা বজায় রাখার জন্য এবং উপমা ও প্রতীকাশ্রয়ী সাহিত্য রচনা করার জন্য রিলেটেডনেস ও কনসিসটেন্সি গুরুত্বপূর্ণ। কবির দুঃখ কবিতাটিতে আবহমান বাংলার চিরাচরিত প্রবচন—যেমন, ‘আগে গেলে বাঘে খায়/পিছে গেলে সোনা পায়’ দুটি লাইনের ওপর স্থাপন করলেন হারানো ও গ্লানিময় জীবনের প্রশ্নচিহ্ন? কবিকে কেন এবং কে থামাতে চায়? কেন আগে যেতে পারবে না? কবি কি কেবলই পেছনেই পড়ে থাকবে অবহেলার পাত্র হয়ে? কবিতার শেষ স্তবকেই মর্মপীড়ার আঁচড় লেগেছে, যা কেবল কবির নয়; বরং সমাজ বাস্তবতার ছবিও চিত্রিত হয়েছে। ‘আমার দুঃখের গল্পে দ্যাখো/কেবলি বাঘের ছড়াছড়ি।’ পুঁজিবাদী সমাজে শ্রমজীবী মানুষের শরীর ও রক্তই হলো ভোগবিলাসের প্রধান পুঁজি। সামন্ত প্রথা বিলুপ্ত হলেও পুঁজিবাদের বিস্তারে মধ্যে সামন্ত প্রভুদের চারিত্র্যিক বৈশিষ্ট্যের কোনো হেরফের হয়েছে বলে কি মনে হয়? হয়নি। তত্ত্ব বদলেছে কিন্তু তথ্য বদলায়নি। সামন্ত প্রভুরা নিচু শ্রেণীর মানুষের শরীর আর রক্ত শোষণ করে যেভাবে ভোগবিলাস করেছে, তাকে বাঘের সঙ্গে তুলনা করাই শ্রেয়। এই উপমা দিয়েই কবি বলতে চেয়েছেন, বাঘের সঙ্গে বসবাস। সমাজ বাস্তবতা হিংসা, হিংস্রতা, শোষণের স্বরূপ প্রকাশের জন্য এ দুটি লাইন কি যথেষ্ট নয়?

‘স্টেথো’ একই শিরোনামে কবির দুটি কবিতা স্থান পেয়েছে। এটি প্রতীকী শিরোনামের প্রথম কবিতায় প্রেমিকাকে স্টেথোর রূপকে এক নিগূঢ় উপলব্ধিকে প্রকাশ করা হয়েছে। এই কবিতা কৈশোরের অনাবিল ভালোলাগা ও ভালোবাসার স্রোতের টানে ভেসে যায় মন। প্রেমপ্রত্যাশী এক কিশোর যেন প্রেমিকার ক্লাস শেষে বাড়ি ফিরে যাওয়ার তাড়ায় প্রেমিকের খোঁজ না নেওয়ার ক্ষিপ্ত অভিমান বিচ্ছুরিত হয়। চিকিৎসকরা স্টেথো বুকের ভেতরের শব্দ তরঙ্গের মাধ্যমে রোগ নির্ণয় করার প্রাথমিক ধারণা নেন। হৃৎপিণ্ডের শব্দ শোনেন। কবির প্রেমিকা ‘স্টেথো’ চলে গেলো অথচ দাঁড়িয়ে থাকা প্রেমিকের হৃৎপিণ্ডের কম্পন শোনা হলো না। বিরহের এক প্রগাঢ় অনুভূতির ছায়া পড়ে রইল।

দ্বিতীয় কবিতাতেও প্রেমিকাকে না দেখার আক্ষেপের সুর অনুরণিত হয়েছে কবিতার ভাঁজে ভাঁজে। হয়তো কোনো পঞ্চমীর চাঁদের আলোয় প্রেমিকার সঙ্গে দেখা হয়েছিল কোনো ঝোপের আড়ালে যে জলোয়া স্মৃতিতে ফার্ন, থানকুনি পাতার ঘ্রাণে প্রেমিকের ছায়ামূর্তি ধীরে ধীরে লীন হয়ে আসে, হয়তো খুব নৈকট্যের আহ্বান ছিল না সেই গোপন অভিসারে যেখানে মায়াবী টান ছিল কেবল। কবিতার ইমেজটি এভাবেই কবিত সৃষ্টি করেছেন এবং বিচ্ছেদের উপমা হিসেবে দেখিয়েছেন চিঠি না আসা দ্বীপের আড়ালে। সহজ-সরল ভাষার উপমার ঠাসাঠাসি নেই এই কবিতায় কিন্তু আবেগের অপূর্ব সাবলীল প্রকাশে ঘনিয়ে আসে বেদনার নীল রঙ।

 জাকির জাফরানের অধিকাংশ কবিতা ক্ষুদ্রাকৃতির হলেও এগুলোর মধ্যে রয়েছে কবিতার সুবাতাস ও সুঘ্রাণ। দীর্ঘ কবিতা রচনা করে তিনি কালক্ষেপণ করেননি বরং ছোট্ট পরিসরেই সব কথা বলার শৈল্পিক শৈলী প্রকাশ করেছেন। বলতে দ্বিধা নেই, আজকাল অনেক দীর্ঘ কবিতা চোখে পড়ে, কিন্তু ভাব ও বাক্যের অপরিপূর্ণ বিন্যাস, অর্থহীন উপমা, ত্রুটিপূর্ণ বাক্য গঠনের ফলে পণ্ডশ্রমই মনে হয়। কবি জাকির সেরকম পণ্ডশ্রমের দিকে না গিয়ে, হাতির মতো বৃহৎ উদর বানিয়ে মল দিয়ে ভর্তি না করে বরং ঝিনুকের মতো পেট তৈরি করে সেখানে জন্মিয়েছেন মুক্তো। বর্তমান সময়ে মানুষের পঠনেও ধৈর্যচ্যুতি ঘটে নানা কারণে। কিটসের ‘স্মল ইজ বিউটি’—ভাবাদর্শে কবি দীক্ষিত না হলেও ছোট আকারের কবিতায় কবির মগ্নতা উল্লেখ্যযোগ্য।

‘পায়ে বাঁধা দুটি সর্বনাম’ ও ‘খেলা’ শিরোনামে দুটি কবিতা। প্রথমটির দশ লাইন ও দ্বিতীয়টি চার লাইনে নির্মিত কবিতা। দুটি কবিতার দুটি অংশ লক্ষ করা যায়, যেখানে প্রথমাংশে কবিতার পটভূমি এবং শেষ লাইনে কবিতার সারটুকু প্রকাশ পেয়েছে। প্রথমাংশে প্রেমিকাকে জড়িয়ে ধরার ব্যাকুলতা তীব্রভাবে প্রকাশ পেলেও কবিতার শেষাংশে বিচ্ছেদের টান, বেদনাহত এক গোধূলির ছায়া যেন পড়ে থাকে রাতের কার্নিশে।

নিচু এ কৌতুকে আজ মজে গেছে মন।
বিস্তৃত অনাগ্রহের প্রতি উড়ে আসে মেঘ
তোমাকে জড়িয়ে ধরে মনে হলো ধান
মনে হলো উৎসব
জন্ম ভেঙে
দূর দূর অন্ধ দ্রাঘিমায়
নিচু ক্লাসে পড়! আহা!
চুলে এত রৌদ্র-কুমকুম, চোখ যেন সমুদ্রপৃষ্ঠা
টেনে নাও আমাকে তোমার ছত্রে ও ছায়ায়

পায়ে বাঁধা দুটি সর্বনাম, পাখি উড়ে যায়
(পায়ে বাঁধা দুটি সর্বনাম)

সময় ও বয়সও কবির জীবনে ফেলে অকাট্য প্রভাব। প্রতিটি মানুষ যেমন বয়সের বিভিন্ন স্তরে জীবনের উপলব্ধি থেকে উপভোগ করে, ঠিক তেমনি কবির কবিতাতেও সেই উপলব্ধির ছাপ সুস্পষ্টভাবে খোদিত হয়। কবি কবিতা লেখেন আবেগ থেকে। আবেগের উৎস মন, আর মন হলো চিন্তার বন্ধন—mind is nothing but bundle of thoughts. প্রত্যেক কবিই যৌবনে প্রেম ও সম্ভোগের কবিতা লিখলেও বার্ধক্যে এসে প্রেমের কবিতার ভাটা পড়ে, তখন ভাবাদর্শের ইমেজ সৃষ্টি হয় কবিতায়। পক্ষান্তরে সময়ও কবির লেখাকে দারুণভাবে প্রভাবিত করে। ত্রিশের দশকে অনেক কবির কবিতায় সাম্যবাদ, মার্কসবাদ ইত্যাদি সমাজতান্ত্রিক চেতনার কবিতা সৃষ্টি হলেও বর্তমানে সময়ে সে ধরনের কবিতা চোখে পড়ে বিরল। কারণ, তখন পৃথিবীর মানুষের দৃষ্টিভঙ্গি দুভাগে বিভক্ত ছিল এবং কবি-সাহিত্যিকদের মধ্যে সমাজতান্ত্রিক প্রভাব বেশি পড়ত। বাংলাদেশে স্বাধীনতা পরবর্তী সময় অধিকাংশ কবির কবিতায় সমাজতন্ত্রের মন্ত্র চিত্রিত হয়েছে, স্বাধীনতার পক্ষে তথা মুক্তিযুদ্ধ ও ভাষা আন্দোলন এবং সামরিক জান্তা ও স্বৈরতন্ত্রের বিরুদ্ধেও লেখা হয়েছে অসংখ্য কবিতা। বর্তমান সময়ে বাংলা কবিতায় নিষ্কাম ও কামজ প্রেম, হতাশা আর মধ্যবিত্তের হাহাকারই কবিতায় স্থান পাচ্ছে। প্রেমের কবিতা কখনই সময়বন্দি হয়নি, প্রেম সর্বজনীন ও সর্বকালীন, প্রেম ছাড়া মানবজীবন অস্তিত্বহীন। এরূপ ধারণা করা হয়ত ভুল হবে না যে, প্রেমের কবিতা দিয়েই কবিতার জগৎ সৃষ্টি হয়েছিল। সময় শুধু কবিতার ভাবাদর্শেই প্রভাব ফেলে না বরং নির্মাণ শৈলিতে ভাষারও প্রকট প্রভাব পড়ে। উত্তরাধুনিক কবিতার ভাষা ও নির্মাণ শৈলীর যেসব বৈশিষ্ট্য লক্ষ করা যায়, সেসব বৈশিষ্ট্য কবি জাকিরের কবিতায় উজ্জ্বল। তার কবিতায় শাশ্বত প্রেমের মোহাচ্ছন্নতা, প্রেয়সীকে কাছে পাওয়ার আকুতি, বিচ্ছেদের গ্লানি, প্রেমের হতাশা স্থান পেয়েছে। দ্বিরালাপ, অস্থিত্ব বিষয়ক, বিয়ে, প্রীতিধারা, সংবেদনা, জল ইত্যাদি কবিতাতেও প্রেমরস সিঞ্চিত হয়েছে।

‘প্রিয় ঝু সিরিজে’ সিরিজের প্রতিটি কবিতায় প্রেমের রঙিন অনুভূতির স্পর্শ, বিরহের কাতরতা এবং কামজ আহ্বান চিত্রিত হয়েছে।

নিচে ঘনঘোর আঁধিয়ার। সন্দেহ বেঁধেছে বাসা নয়ানে তোমার। ভাসছি খাদ্যের মতো আজ বিষাদপ্রাপ্ত জলে। তুমি নাকি স্বপ্ন ছিলে ব্যথাতুর রাতে। আজ দুঃখ করি, অশ্রুপাত করি, উদয়-অস্তে গমন করি। তবু কোনো সুখস্বপ্ন জোটে না নসিবে। উপরে আল্লাহ নিচে তুমি আকাশ পাখি নক্ষত্রের দল। বিরহ কি অনিবার্য ছিল বৈশাখে বরষায়? প্রিয়ঝু! প্রিয়ঝু! এ বড় ব্যথাতুর দিনে তোমার জাফরান বৃথা যায়।
(প্রিয় ঝু সিরিজ)

শব্দ নিয়ে খেলা করা, শব্দকে বিভিন্ন প্রাসঙ্গিক আঙ্গিকে তৈরি করা, বাক্য নির্মাণে বিশেষত্ব দেখানো অগ্রসর কবির সহজাত প্রবণতা; অনগ্রসর কবি পড়ে থাকে পুরনো শব্দে, বাক্যে যা কাম্য নয়। কবি জাকিরের কবিতায় শব্দের খেলা ও বাক্য নির্মাণের বিশেষত্ব লক্ষ করা যায়। সামগ্রিকভাবে জাকির জাফরান কবিতায় শ্রম ও মেধা বিনিয়োগ করছেন এবং তার অন্তর্দৃষ্টির প্রখরতা এবং উপলব্ধির যে ইমেজ তৈরি করেছেন তা পাঠককে আকৃষ্ট করার জন্য যথেষ্ট।

চলবে…

মন্তব্য

চিন্তাসূত্রে প্রকাশিত কোনও লেখা পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।


কোন মন্তব্য নাই.

লেখাটি সম্পর্কে আপনার মন্তব্য লিখুন