কুড়ি বছর পর ॥ মঈনুল সানু | চিন্তাসূত্র
২ ভাদ্র, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ | ১৭ আগস্ট, ২০১৮ | রাত ১১:৩২

কুড়ি বছর পর ॥ মঈনুল সানু

এক.
দুপুরের রোদ আড়াল করে আকাশ ছেয়ে আছে কালো মেঘে, মেঘ যেন আমারও মনজুড়ে!

কুড়ি বছর পরে চৈতি গ্রামে এসেছে আজ, হয়তো এর মধ্যে আরও এসেছে বেশ কয়েকবার কিন্তু আমি ও চৈতি দুজনেই গ্রামে এসেছি এমন হয়ে ওঠেনি এই কুড়ি বছরে আর একবারও। খানিকটা আশা জেগেছিল মনে, শেষ বিকেলে বৈশাখী মেলায় দেখা হলেও হতে পারতো কিন্তু আকাশ হঠাৎ করেই বদলে ফেললো নিজের রূপ। কিছু আগেও রোদ ছিল, আশা ছিল। চারপাশে আঁধার ঘনিয়ে এসেছে এখন, যেন দুমড়ে-মুচড়ে যাবে সমস্ত বৈশাখী তাণ্ডবে; ঝড় কি উঠবে আমারও বুকে? এতদিন বাদে আবার দেখা না হওয়ার আফসোস নিয়েই ফিরতে হবে?

হতাশ চোখে আকাশের দিকে তাকালাম। চারপাশ অন্ধকার হয়ে আছে, বাতাসের বেগ ক্রমশ বাড়ছে। বিষণ্নতা গ্রাস করে ফেলেছে আমাকে। এত বছর বাদে একটুখানি চোখের দেখা দেখতে চাওয়া নিশ্চয় বেশি কিছু নয়। অদৃষ্ট কেন যে বারবার এত রুষ্ট হয়ে ওঠে আমার প্রতি!

কুড়ি বছর—নেহাতি কম সময় নয়। কুড়ি বছরে কত কী বদলে গেছে; পথঘাট, বাড়িঘর, মানুষ, মানুষের অবয়ব, এমনকি মনও। চৈতিদের বাড়ির সামনের বড় রাস্তায় জলপাই গাছ ছিল, গাছটার বয়স বেড়েছে। পথের দু ধারে আকাশমণি গাছ ছিল, কে বা কারা কেটে নিয়ে গেছে। বাড়ির পূর্বপাশে নদী, এখন মরা নদীর মতো শুকিয়ে বিস্তৃত বালুভূমি হয়ে আছে। আমার চুলে পাক ধরেছে, চৈতিরও হবে হয়তো। কুড়ি বছর বাদে আজ জানতে ইচ্ছে করছে খুব, চৈতি কেমন আছে?

তখন আমি সদ্য কৈশোর পেরিয়ে তরুণ, চৈতির ষোলো। এক-দুই বার চৈতির চোখে চোখ পড়লো,  তখন বয়স কম আমাদের; ভালো লাগার আবেশে কী করে যেন প্রেম হয়ে গেলো। বাল্যপ্রেম মধুর হয়! বড় রাস্তার ধারে ওদের বাড়ি, কিছুদূরে আমাদেরও—একই গ্রামে বেড়ে ওঠা, রোজ দেখা হয়ে যেতো। তারপর চৈতির যেদিন বিয়ে ঠিক হয়ে গেলো আমাকে জড়িয়ে ধরে সে কী কান্না! আমি তখনো উচ্চ মাধ্যমিক পাস করিনি, হৃদয়ের মধ্যে ভরপুর প্রেম থাকলেও কাউকে পাশে নিয়ে দু কদম পথ চলব, সেই সামর্থ্য আমার কোথায়?

সেসব দিনের কথা, অম্লমধুর স্মৃতি মনে পড়লে হাসি পায় ঠিকই কিন্তু সে হাসি শেষ হতে না হতেই দীর্ঘশ্বাস এসে বুকটা ভারী করে তোলে। চৈতির হয়তো এসব কথা মনে নেই কিছুই, কুড়ি বছর আগেকার সেসব স্মৃতি। চৈতি সংসার করছে, শুনেছি বছর পাঁচেকের একটি পুত্র সন্তান আছে ওর, আমার স্থির হওয়া হয়নি আর। দেখতে দেখতে আমাদের জীবনে সকাল গড়িয়ে এখন দুপুর, সময় কত দ্রুত চলে যায়!

ঘর ছেড়ে বাইরে এসে দাঁড়ালাম, মেঘ একটু একটু করে দূরে সরে যাচ্ছে। মনটা খুশিতে ভরে উঠলো। আজ ঝড় না হোক, আজ ঝড়ের প্রয়োজন নেই। আজকের দিনে কারও মনে মেঘ জমে না থাকুক, আজ রোদ উঠুক; আলোয় উদ্ভাসিত হোক ধরা—আমার আপন ভুবন। যদি ঝড় না হয়, আমাদের গ্রামে বটবৃক্ষের নিচে যেখানে প্রতিবছর বৈশাখের প্রথম দিনে সকাল থেকে মেলা বসে সে মেলায় চৈতি আসবে। যদি কোনো কারণে চৈতি না আসে? চৈতি যে আসবে, এ খবর তো আমাকে কেউ দেয়নি। মুহূর্তেই মন খারাপ হয়ে গেলো আবার। সত্যিই বৃদ্ধ, যুবা, তরুণ সবার মনই বড় অবুঝ; মন কখনো পরিণত হয় না।

হাঁটতে হাঁটতে কখন বড় রাস্তায় এসে পড়েছি, খেয়াল করিনি। মেঘ কেটে যাওয়ায় মানুষজন আবার মেলার দিকে যাচ্ছে, কেউ কেউ ফিরছে মেলা থেকে। ওই তো মিলন আসছে; মিলনের হাত ধরে আছে মিলনের তিন বছরের ছেলে। সেই খোকার অন্য হাতে বেলুন, শক্ত করে ধরে আছে। এই মিলনের বয়স তখন কত হবে? ছয়-সাত মাস। চৈতি প্রায়ই কোলে নিয়ে থাকতো মিলনকে, আমার সঙ্গে তখন দেখা হয়ে গেলে লজ্জা পেয়ে নিজেকে লুকিয়ে ফেলত চৈতি। আহা! সেই সব দিন চলে গেছে, আর ফিরে পাওয়া হবে না। মিলনের বয়স এখন কুড়ি ছাড়িয়ে গেছে।

দুই.
বৈশাখী মেলা শহরের চেয়ে গ্রামগঞ্জে কিছুটা আলাদা, এখানে নিত্যদিনের প্রয়োজনীয় জিনিসও পাওয়া যায়। কাঁচি-ছুরির সঙ্গে একজন কামারবউ তালপাতার পাখা নিয়ে পসরা সাজিয়েছে, সেখানেই প্রথম দেখতে পেলাম চৈতিকে।  হ্যাঁ, চৈতিই। এত মানুষের ভিড়েও আমরা দেখতে পেয়েছি একে অন্যকে, চোখে চোখ পড়েছে। অবাক বিস্ময়ে তাকিয়ে থেকেছি কিছুক্ষণ। আশেপাশে কত পরিচিত মানুষ, যতটা সম্ভব আমরা একে অন্যকে এড়িয়ে গেছি।

একদিন আমাদের সম্পর্কের কথা অনেকেই জানতো, যদিও কুড়ি বছর আমরা কেউই গ্রামে ছিলাম না তবু কি মানুষের মন থেকে সেই সব মুছে গেছে? কিংবা চৈতির আজ সংসার, সন্তান আছে বলেই কি এই আড়ষ্টতা?

এক ষোড়শীর প্রতি দুর্বার আকর্ষণ, তরুণের বিভ্রম, কুড়ি বছর কেটে গেছে তারপর; কুড়িটা বছর। এই কুড়ি বছরে স্বাভাবিক জীবন ছিল আমার, চৈতিরও। সেসব দিন মন থেকে মুছে ফেলে নিত্য দিনের টানাপড়েনে বেঁচে থেকেছি রোজ, কিন্তু তবু মনের অজান্তেই এক বিন্দু আশা জেগেছিল আমার মনে, আবার একদিন দেখা হয়ে যাবে জীবন চলার পথে। চৈতিও কি এমন করে ভাবতো? হঠাৎ জানতে ইচ্ছে হলো, কত রকমের স্পৃহা যে জেগে ওঠে মানুষের মনে ক্ষণে ক্ষণে!

সেই চৈতি, চৈতির উচ্ছ্বলতা আজ আর নেই। লতার মতো বেড়ে ওঠা কিশোরীর শরীর আজ ভরাট, গায়ের রঙ পুড়ে পুড়ে তামাটে হয়ে গেছে। চৈতির সঙ্গে ওর বছর পাঁচেকের ছেলেটাও আছে। কী পবিত্র চোখে চেয়ে আছে, মানুষের কোলাহল বিস্ময়ে দেখছে। কী মায়া ছেলেটার চেহারায় ঠিক যেন চৈতিরই আদলে গড়ে ওঠা প্রতিমূর্তি! চৈতির যখন বিয়ে হয়ে গেলো তখন সংসারধর্ম ও আর কতটা বোঝে, তবু মধ্যবয়সী বরের যৌথ পরিবারে কতটা সামলাতে হয়েছে, কতটা সামলে নিয়েছে নিজেকে, সে খবর কেউ তলিয়ে দেখবে না কোনোদিন। আমাদের দেশের নারীদের এমন কত খবরই চিরকাল আমাদের অগোচরে থেকে যায়।

মেলার এদিকে রেশমি চুড়ি, রঙ-বেরঙের ফিতে, বাহারি রকমের মেয়েদের সাজসজ্জার উপকরণ নিয়ে পসরা সাজানো হয়েছে, মেয়েদের ভিড়ই বেশি। তারই একপাশে দাঁড়িয়ে কত কী ভাবতে ভাবতে আনমনা হয়ে পড়ছিলাম। হঠাৎ চমকে উঠলাম চৈতির কণ্ঠ শুনে। আমাকে চাপা গলায় বলছে, সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টায় কবিতা আপাদের বাড়ি এসো, আমি অপেক্ষা করব।

আমার যেন তখন হাতের মুঠোয় আকাশের চাঁদ পাওয়ার মতো অবস্থা। কত স্মৃতি মনে পড়ে গেলো। কবিতা আপা চৈতির খালাতো বোন, আমরা লুকিয়ে দেখা করতাম কবিতা আপাদের বাড়ি। আপা আমাদের দুজনকেই খুব পছন্দ করতেন। মাঝেমাঝে চৈতি চিঠি রেখে আসতো আপার কাছে, আমি পরে গিয়ে সে চিঠি নিয়ে আসতাম। কবিতা আপার কথা ভাবতেই হাসি চলে এলো, আপা কি আগের মতোই আছেন?
আর আমরা?

আমি এই কুড়ি বছরে যেমন করে চৈতির কথা ভেবেছি মাঝেমাঝে, চৈতিও আমার কথা ভেবেছে তবে এমন করে। মানুষের মন কী বিচিত্র!অন্যের ঘরণী শুধু আমার কথা মাঝেমাঝে মনে করেছে এই ভেবেই আমার এত আনন্দ হচ্ছে কেন? তবে কি দেহ ছাড়াও দেহের মধ্যে যে মন আছে সেই মনের মধ্যে চিরদিন একটুখানি জায়গা নিতে পারায়ও প্রেমের সার্থকতা আছে?

একজন বয়স্ক স্ত্রীলোক নানা রঙের কাচের চুড়ি নিয়ে দোকান সাজিয়েছেন। এক ডজন লাল চুড়িতে চোখ রেখে মন খারাপ হয়ে গেলো। একদিন আমার দেওয়ার সাধ ছিল, চৈতির নেওয়ার মতো মন ছিল কিন্তু আমার সাধ্য ছিল না। আজ পকেটে শত ডজন চুড়ি কেনার টাকা আছে কিন্তু চৈতির নেওয়ার মন কি আছে? সময় কত ওলোটপালোট করে দিয়ে যায় আমাদের, আমাদের সম্পর্কগুলোকে।

তিন.
কবিতা আপা বাড়িতেই ছিলেন। বয়সের ছাপ পড়ে গেছে আপার চেহারায়। আমার দিকে স্নেহভরে কিছুক্ষণ তাকিয়ে থাকার পর আপার চোখ জলে ভিজে উঠলো, শাড়ির আঁচলে মুছে নিলেন চোখ। আপার সঙ্গে আমার সহজ কথাগুলোও কেমন জড়িয়ে যাচ্ছিল কান্নায়। আপাকে যে এতদিন আমার খুব মনে পড়তো সেটাও নয় তবু আজ এত বছর পর আপাকে দেখতে পেয়ে সেইসব দিনগুলো যেন আমাদের চোখের সামনে ভেসে উঠছিলো, ব্যথিত হয়ে পড়ছিল আমাদের হৃদয় পরস্পরের প্রতি। স্মৃতি তো এমনি হয়!

আপাকে চৈতির কথা জিজ্ঞেস করতেই হতাশ হয়ে গেলাম। চৈতি আসেনি এখনো, ঘড়িতে সাড়ে ছয়টা বেজে গেছে। চৈতি যে আসবে এমন কোন খবরও আপাকে দেয়নি, অন্তত একটা ফোন করতে পারতো। চৈতির কাছে আপার নম্বর থাকা তো খুব স্বাভাবিক। আপা আমাকে ঘরে নিয়ে বসালেন, খুব দ্রুত বেলা পড়ে যাচ্ছে। এদিকে বিদ্যুৎ থাকলেও ঘন ঘন লোডশেডিং। আপা দরজা জানালা বন্ধ করে মোম জ্বালিয়ে দিলেন।

আপার সঙ্গে টুকটাক কথা হচ্ছিল আর এসব কথার মাঝেই আমার বুকের ভেতর ঢিপঢিপ করছে, হার্টবিট বাড়ছে কমছে। চৈতি কেন আসবে আমার কাছে, আমি জানি না। এতদিন বাদে আমার সঙ্গে কী কথা থাকতে পারে চৈতির? এসময় অপেক্ষা যেন মৃত্যুর সমান।

ঘরের বাইরে খানিকটা শব্দ হতেই আমার দম বন্ধ হয়ে এলো, চৈতি এসে পড়লো বুঝি! দরজায় কেউ করাঘাত করলো। কবিতা আপা জিজ্ঞেস করলেন কে?

পাশের বাড়ির টুনি মেলা থেকে পুতুল কিনেছে। তাই দেখাতে এসেছে কবিতা আপাকে।
আবার অপেক্ষা।
অপেক্ষাতে অপেক্ষাতে সূর্য ডোবে রক্তপাতে।

শেষ পর্যন্ত চৈতি যদি না আসে? ভাবতেই কেমন কষ্ট মোচড় দিয়ে উঠলো বুকের ভেতর অথচ আমি বেমালুম ভুলে গেলাম এই অপেক্ষা কি অর্থবহ? প্রেম তো এমনই চিরদিন অর্থহীন। কী হবে চৈতির এখানে এসে?

ঘড়িতে সাতটা বেজে গেছে। বাইরে আবার পা ফেলার খচখচ শব্দ। তারপর দরজায় করাঘাত করলো কেউ। চৈতি না তো? না এবারও চৈতি না। টুনির মা এসেছে, টুনিকে নিতে।

সময় গড়াচ্ছে, কবিতা আপা আমার দিকে হতাশ চোখে তাকালেন। ঘড়িতে সাতটা বেজে কুড়ি। কুড়ি মানেই তো কুড়িটা বছর।
চৈতি এলো না, আমি উঠব।

কবিতা আপা আমাকে এগিয়ে দিতে এলেন দরজার কাছে। জুতোর ফিতা লাগাতে লাগাতেই, চৈতি এলো। কবিতা আপা ও আমার দুজনের চোখেই আনন্দের ঝিলিক। চৈতির চোখেও কি আনন্দ? হ্যাঁ আনন্দ বটেই, তবে আমাকে উপেক্ষার। দুই বোন খুশিতে এমন আত্মহারা হয়ে রইলো, আমি যে আরও একজন ব্যক্তি আছি এখানে, ওরা যেন বেমালুম ভুলে গেলো। অভিমান হলো খুব, আমার। ঘরের ভেতর চুপচাপ বসে রইলাম।

কিছুক্ষণ বাদে কবিতা আপা আমাদের আলাদা কিছু সময় একসঙ্গে কাটাতে দিয়ে অন্য ঘরে চলে গেলেন। চৈতি কেমন সহজ গলায় জানতে চাইলো,
কেমন আছো মৃন্ময়?
ভালো। তুমি?
ভালো। কবিতা আপা ছিলেন, সহজ হতে পারছিলাম না উনার সামনে। তুমি কিছু মনে করো না। কিছু মনে করিনি।

চার.
তারপর?
অনেক কথা। অনেক দিনের জমানো কথা। কত কী জিজ্ঞেস করার আছে, কত কী বলার বাকি আছে। সব কথা বলার মতো সময় কি পাওয়া যাবে? চৈতি সুখী হয়নি সংসার জীবনে কিংবা সুখ কী চৈতি জানে না সেটা। বিত্ত-বৈভবের মাঝে চৈতির স্বামী চৈতিকে ভালোবাসি বলার অবসর পায়নি। তবে চৈতি পায়নি বলেই কি শুধু এসেছে আজ এখানে?

হঠাৎ অভিমান হলো আমার খুব। চুপ করে ছিলাম। চৈতি জিজ্ঞেস করলো,
মৃণ্ময় তুমি বিয়ে করে সংসারী হওনি কেন?
সংসার জীবনের আক্ষেপ কারও কাছে কোনোদিন বলতে যাব না বলে।

চৈতি যেন কিছুটা আহত হলো আমার কথায়, মুহূর্তেই নিজেকে সামলে নিয়ে বললো, নিজের কথাই শুধু বলে যাচ্ছি বলে তোমার অভিমান হয়েছে খুব, তাই না?

একাকী জীবন আমার, নিজের কথা তেমন কিছু বলার নেই শুধু তুমি কেমন আছো এটুকুই জানার ছিল।
আর কি কিছুই নয়?
সেই অল্প আলোতে চৈতির স্থির চোখের দিকে তাকালাম, ভাষাহীন চোখেরও যে কতরকম প্রকাশ, কত যে তার ভাষা, কত কী অর্থ সব কি বোঝা যায়? কতক্ষণ তাকিয়ে ছিলাম আমরা এভাবে জানি না হঠাৎ চৈতি আমার বুকে মাথা গুঁজে ডুকরে কেঁদে উঠলো।

চিন্তাসূত্রে প্রকাশিত কোনও লেখা পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।


২ Responses to “কুড়ি বছর পর ॥ মঈনুল সানু”

  1. Samira Akter
    এপ্রিল ৫, ২০১৮ at ৬:১৫ পূর্বাহ্ণ #

    ভালো লাগলো বেশ।শুভ কামনা

  2. Shamim
    জুন ৩, ২০১৮ at ৮:০৩ অপরাহ্ণ #

    আগে পরেছি।
    অনেক ভালো লাগছে।

লেখাটি সম্পর্কে আপনার মন্তব্য লিখুন