A Miraculous Cavalier and others ॥ Chanakya Barai | চিন্তাসূত্র
৮ আশ্বিন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ | ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৭ ইং | রাত ১২:৪৩

A Miraculous Cavalier and others ॥ Chanakya Barai

Epitaph or Deed of Agreement
Maybe, one day these silence of the century will be translated—a new chapter in the name of Mounota is added to your linguistics—if I fall asleep in that moss-green tomb, you can rescind the voice of the stars. And join on my epitaph in a soft tune—where immersion in the mountains— in the silence of solitude.

That life I have lived, it is not but the bridge of the name of glories childhood, boyhood, youth and ….and the death is— just a splendid bird—picks up `the life’ from heart—the sweet grain.

Everyday which light comes to us—drilling the concrete of fog—I make it dance on my palm like a spinning top. Thus I catch the earth on my hand, then see, the God remain unfriend of me.

And you, a mirror imagery man—abandon some sign for shadow in deed of agreement of life and death.

A Miraculous Cavalier
All think authority of stars, I want just light—some say, it is a poetic illness—I have to accept and leave—toward facing the red china roses— the ant-routs trace a path that arose from the cold winter- and accept their guidance.

I am not a sailor—I walk in the light of the constant- there is no faith in the compass—just for pole-love.

I am the groom that horse, give him the dream-grass-there is nowhere in his absence in the galaxy—consequently, can go to the Neptune for a moment, Falkland, Zanzibar, Vanuatu or Shakira’s secret bedroom—I call him the horse to imagine—

The time of escape is today—the constant left with light, before the fall of the meteorite again—I go to the holy mountain.

The Mourning for not returning Voices
Rather, a night is mascara than a day—as the death than the life—oh, if you know how much oxygen deserves— to the atmosphere, when does the last moment breath in the lungs.

Oh giraffe you have no speech—what would be with such a great throat? Like me—this much talk with the God—but he does not understand the language of the people- rather, if I got a linguist, I would know, how many letters e in the God’s language.

Exactly, who returns my words to me, he is none other, this mute hill- I have come to know— it is just the breast of mother— earth—but he knows that the perfect sound imitation—

O echo, who is your great wordmaster? From which the joyous garden you get the satisfaction regain of the lost child—my words are returning back to me like the pet hopper, but to the sky—to the sea—to the desert I throw the words hundred times—on this long life did not return anything.
Translated by Qazy Mohammad Ashraf

অলৌকিক অশ্বারোহী ও অন্যান্য ॥ চাণক্য বাড়ৈ
এপিটাফ অথবা চুক্তিপত্র
হয়তো এভাবে একদিন অনূদিত হবে শতাব্দীর নীরবতা—মৌনতা নামে তোমাদের ভাষাবিজ্ঞানে যুক্ত হলো নতুন অধ্যায়—আমি ওই শ্যাওলা-সবুজ সমাধিতে ঘুমিয়ে গেলে তোমরা উদ্ধার কোরো তারাদের স্বরলিপি। আর আমার এপিটাফে জুড়ে দিয়ো একটি নমিত সুর—যার নিমজ্জন পাহাড়ে—নির্জনতার নিটোল নিস্তব্ধতায়।

যে জীবন পেরিয়ে এলাম, শৈশব কৈশোর যৌবন বার্ধক্য এসব বাহারি নামের একেকটি সাঁকো ছাড়া আর কিছু নয়—আর মৃত্যু—এক জ্যোতির্ময় পাখি—বুকের মাঝখান থেকে টুপ করে খুটে নেয় ‘প্রাণ’—সুস্বাদু শস্যদানা।

প্রতিদিন কুয়াশার কংক্রিট ফুটো করে যে এক বিন্দু আলো আসে—ঘুরন্ত লাটিমের মতো তাকে হাতের তালুতে নাচাই। এভাবে পুরো পৃথিবীটাই নিয়ে আসি হাতে। তবু দেখো, ঈশ্বরের সাথে বন্ধুত্ব হলো না আমার—

আর তুমি, আয়নায় বিম্বিত পুরুষ—কেবলই ছায়ার মোহে জীবন আর মৃত্যুর চুক্তিনামায় রেখে গেলে অজস্র অমোঘ স্বাক্ষর—

অলৌকিক অশ্বারোহী
সবাই নক্ষত্রের মালিকানার কথা ভাবে, আমি তার আভাটুকু চাই—কেউ কেউ বলে, এ অসুখ কবিতাবাহিত—মেনে নিয়ে চলে যাই, যেদিকে মুখ করে ফুটে আছে রক্তজবাগুলো—পথের সন্ধান দেয় শীতনিদ্রা থেকে উঠে আসা পিঁপড়ের সারি—তাদের নির্দেশনা শিরোধার্য মানি—

যদিও নাবিক নই, ধ্রুবতারার আলোক দেখে চলি—কম্পাসে বিশ্বাস নেই—সে শুধু মেরুপ্রীতি জানে—

আমি যে ঘোড়ার সহিস, তাকে দিই স্বপ্নমোড়া ঘাস—তামাম গ্যালাক্সিতে তার অগম্য কোথাও নেই—ফলত, মুহূর্তে চলে যেতে পারি নেপচুন ফকল্যান্ড জাঞ্জিবার ভানুয়াতু অথবা শাকিরার গোপন বেডরুমে—আমি তাকে কল্পনা-অশ্ব বলি—

পালাবার সময় হলো আজ—আলো ফেলো ধ্রুবতারা, পুনরায় উল্কাপতনের আগে পবিত্র পাহাড়ের দিকে যাই—

ফিরে না আসা কথার জন্য শোক
বরং রাত্রিই মোহময়, দিন অপেক্ষা—জীবনের চেয়ে যেমন মৃত্যু—আহা, যদি জানা যেত আর কতটুকু অক্সিজেন প্রাপ্য আছে বায়ুম-লের কাছে, কখন সেই অন্তিম মুহূর্ত ফুসফুস ভরে প্রশ্বাস নেওয়ার—

আহা জিরাফ, তোমার তো বাকশক্তি নেই—কী হবে এতবড় লম্বা গলা দিয়ে—যেমন আমার; —এই এত এত কথা ঈশ্বরের সাথে—অথচ মানুষের ভাষাই বোঝেন না তিনি—বরং কোনো ভাষাবিজ্ঞানীকে পেলে আমিই জেনে নিতাম, কতগুলো বর্ণ আছে ঈশ্বররের ভাষায়—

অবিকল, আমার কথাগুলো যে আমাকে ফিরিয়ে দেয়, সে আর কেউ নয়, এই বোবা পাহাড়—এতদিন কেবল ধরিত্রীমাতার স্তন রূপেই জেনে এসেছি তাকে—অথচ সে-ই জানে ধ্বনির নির্ভুল অনুকৃতি—

হে প্রতিধ্বনি, কে তোমার মহান শব্দশিক্ষক—কোন আনন্দ-উদ্যান থেকে হারানো সন্তান ফিরে পাওয়ার এই তৃপ্তি এনে দাও তুমি—আমার কথাগুলো বারবার পোষমানা ফড়িঙের মতো আমার কাছেই ফিরে আসছে, আহা—

অথচ আকাশের প্রতি—সমুদ্রের প্রতি—মরুভূমির প্রতি—কতশত কথার পাঁচালি ছুড়ে দিলাম, এই দীর্ঘ জীবনে—তার কিছুই ফিরে এলো না!

চিন্তাসূত্রে প্রকাশিত কোনও লেখা পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।

One Response to “A Miraculous Cavalier and others ॥ Chanakya Barai”

  1. Akhter banu.
    সেপ্টেম্বর ১০, ২০১৭ at ৩:৫৩ পূর্বাহ্ণ #

    আমি কবিতা বলতে বুঝি ছন্দো বদ্ধো নরম মন কাড়া পংক্তি মালা, দুি একবার পড়লেই যা মনেগেথে থাকে।

লেখাটি সম্পর্কে আপনার মন্তব্য লিখুন