Chintasutra: web mag of Bengali literature, culture & Arts
১২ বৈশাখ, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ | ২৫ এপ্রিল, ২০১৮ | রাত ৩:৫৬


বৈশাখে তারুণ্যযাত্রা ॥ ইলিয়াস বাবর

চোখ বন্ধ করুন, অতঃপর ভাবতে থাকুন সুখ-সুন্দর একটি দৃশ্য—নারী-পুরুষ নির্বিশেষে বয়সের ব্যবধান ভুলে হাত ধরে ছুটছে সামনের দিকে—দ্রুত পায়ে তো নয়ই, দারুণ একটা ছন্দে তারা হাঁটছে আর গাইছে দূরত্ব ভুলে কাছে আসার তীব্র সম্মোহন জাগা গান। তারপর, নিবিড় ছায়া যেখানে এসে জড়ো হয়েছে বিশাল বটের ছায়ায়, সেখানেই বিভিন্ন দিক থেকে...


নির্বাচিত লেখা



প্রবন্ধ

গল্প

কবিতা

সাক্ষাৎকার

অনুবাদ

রিভিউ

খোলা জানালা

ধারাবাহিক

গান

ছড়া

শৈলী

সংস্কৃতি



সম্পাদকীয়

  • এখন কবিতা নিয়ে দৈনিকের সাহিত্যপাতা, ছোটকাগজ কিংবা সাহিত্যের পোর্টালগুলোর চেয়ে ফেসবুক বেশি সরগরম। আর এই ফেসবুকীয় কবিদের বেশিরভাগই কোনো নিয়মকানুনের তোয়াক্কা করছেন না। মানছেন না ছন্দ, প্রকরণ এমনকী ভাষার শুদ্ধতাও। যদিও ছন্দ কবিতা নয়, ছন্দহীন রচনাও কবিতা নয়। ছন্দ কবিতার একটি অপরিহার্য অনুষঙ্গ, যেমন মানবদেহে রক্তের চলাচল। কিন্তু ব্লগার বা ফেসবুক আসক্তরা দ্রুত বাহবা পান বলে ছন্দহীন রচনাকে যেমন কবিতা হিসেবে চালিয়ে দিচ্ছেন, তেমনি ছন্দহীন প্রগলভতার চর্চায়ও উৎসাহী হয়ে উঠছেন। এভাবে নিজেদের রচনার পাঠক, প্রকাশক নিজেরা হয়ে ওঠার ফলে কাব্যবোদ্ধাদের স্বীকৃতির বিষয়কে গৌণ করে দেখছেন তারা। তোয়াক্কা করছেন না সাহিত্যবোদ্ধা পাঠক-সমালোচকের অভিমতেরও। নিজেদের রচনাকে নিজেরা স্বীকৃতি দিচ্ছেন, নিয়ম-কানুন কিছুই না জেনে। কবিতার প্রকরণ সম্পর্কে বিন্দুবিসর্গ ধারণা ছাড়াই ঘোষণা করছেন ছন্দ না মানার এবং প্রকরণ ভাঙার। এ শ্রেণীর কবিরা স্নবরি ও স্টান্টবাজিতে জড়িয়ে পড়ছেন সহজে। ফলে সৃষ্টি হচ্ছে গোষ্ঠীপ্রীতি ও গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব। একগোষ্ঠীর রচনাকে অন্য গোষ্ঠী করছেন অস্বীকার। আবার নিজেদের যেনতেন প্রকারেণ রচনা মাত্রকেই কবিতা-কবিতা বলে ঢেঁকুর তুলছেন। একগ্রুপ অন্য গ্রুপকে দিচ্ছে পুরস্কার-পদক। আমরা এসব স্নবরি-স্টান্টবাজি মুক্তি সাহিত্য অঙ্গনের প্রত্যাশী।
প্ল্যাটফর্ম প্রকাশিত বই পড়ুন

ফেসবুকে চিন্তাসূত্র

অ্যালেক্সা র‌্যাংকিং