Chintasutra: web mag of Bengali literature, culture & Arts
২৭ অগ্রহায়ণ, ১৪২৩ বঙ্গাব্দ | ১১ ডিসেম্বর, ২০১৬ ইং | রাত ৩:৪১


কাব্যকথা ॥ শিমুল মাহমুদ

shimul-mahmudশেষাবধি দার্শনিক হয়ে উঠেছিলেন নরওয়ের ইয়স্তেন গার্ডার। তাঁর ‘মায়া’ উপন্যাসে নিজের কৈশোর নিয়ে, ‘ঘটনাটা আমার অষ্টম জন্মদিনের আগের, তখন আমাদের পরিবার চার বছরের জন্য মাদ্রিদে পাড়ি জমায়। পকেট ভর্তি হ্যাযেলনাট নিয়ে একটা বুনোপথে দৌড়াচ্ছিলাম আমি; হ্যাযেলনাট কুড়িয়ে পেয়েছিলাম আমি। দৌড়াচ্ছিলাম আর ভাবছিলাম মাকে...


নির্বাচিত লেখা



প্রবন্ধ

গল্প

কবিতা

অনুবাদ

রিভিউ

টুকিটাকি

খোলা জানালা

ধারাবাহিক

ছড়া



সম্পাদকীয়

  • ডিসেম্বর বাঙালির বিজয়ের মাস। তাই এ মাসে জনসাধারণ তো বটেই রাজনীতিবিদ থেকে শুরু করে ছাত্র, শিক্ষক, শিল্পী ও সাহিত্যিক সবার মনেই কাজ করে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা। এক্ষেত্রে শিল্পী-সাহিত্যি নতুন চেতনায় উদ্বুদ্ধ হন। তাদের শিল্পকর্মে পড়ে সে কল্পনা-ইচ্ছার ছাপ। কবিতায়, চিত্রকলায়, গল্পে, উপন্যাসে, নাটকে তা নানাভাবে বিধৃত হয়েছে। সবমিলিয়ে বাংলা সাহিত্যে মুক্তিযুদ্ধ বিপুল অংশজুড়ে স্থান পেয়েছে। কিন্তু গল্প-কবিতা, নাটক বা গান বাদ দিয়ে উপন্যাসে মুক্তিযুদ্ধ যথাযথভাবে প্রতিফলিত হয়েছে বলে আমরা মনে করি না।  এ পর্যন্ত মুক্তিযুদ্ধের যত উপন্যাস রচিত হয়েছে, তার সবটাই খুন, ধর্ষণ, লুটপাট আর দেশত্যাগের কাহিনিতে পূর্ণ। কোথাও যুদ্ধের কলাকৌশল, পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর সঙ্গে লড়াই করার কী কী ধরনের প্রশিক্ষণ নেওয়া হয়েছে, সর্বাধিনায়ক অন্যদের সঙ্গে কী ভাষায় কথা বলেন, যুদ্ধকালীন মুক্তিযুদ্ধের সেনাপতির সঙ্গে মুজিবনগর সরকারের আলাচারিতা কী কী ছিল?  তার বর্ণনা পাওয়া যায় না। অর্থাৎ মুক্তিযুদ্ধ যে একটি সর্বজনীন যুদ্ধ ছিল তার প্রমাণ মেলে না এসব উপন্যাসে। কবে পাব সর্বার্থেই  মুক্তিযুদ্ধের একটি সার্থক উপন্যাস?
প্ল্যাটফর্ম প্রকাশিত বই পড়ুন

ফেসবুকে চিন্তাসূত্র

Nodi